অখণ্ড মণ্ডলী
ত্রিপুরা জেলান্তর্গত শ্যামগ্রাম-নিবাসী অপর এক পত্র-লেখকের পত্রোত্তর শ্রীশ্রী বাবামণি লিখিলেন,-
"অখণ্ডমণ্ডলীকে জানিবে শান্তির স্নিগ্ধ নীড়,অশান্ত হৃদয় শান্ত করিবার আশ্রয়, সংসার-পীড়নে ব্যথাতুর ও রিপুকুলের তাড়নায় উৎকন্ঠিত মনের সান্ত্বনাদায়ী তীর্থ।
অখণ্ডমণ্ডলী এমন একটা প্রতিষ্ঠান, যেখানে কোনও গণ্ডগোল হওয়া উচিত নহে।
অখণ্ড-সংহিতা পাঠ হইবে,সকলে নিঃশব্দে এবং ভক্তি-সহকারে শুনিবে। উপাসনা-কীর্ত্তনাদি চলিবে,সকলে নিজ নিজ কণ্ঠ-সংযোগ বিনীত চিত্তে করিবে, ঔদ্ধত্য সহকারে নহে।
প্রসাদের বিতরণ-কালে ভদ্র ও নম্র ভাবে চলিবে, হৈ-হল্লা করিবে না।মণ্ডলীর টাকাকড়ি নিয়া কেহ মিথ্যাচার,অসত্য উক্তি, প্রতারণা,প্রবঞ্চনা আদি করিবে না।
ভক্তিযুক্ত মনে নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যেকে মণ্ডলীতে আসিবে এবার শান্ত স্নিগ্ধ অনুদ্বিগ্ন মনে প্রতিজনে তৃপ্ত হৃদয়ে গৃহে ফিরিবে।
মণ্ডলীর মধ্যে বসিয়া কলহ আর মাতৃ-অঙ্গে নিষ্ঠীবন নিক্ষেপ করা সমান অপরাধ বলিয়া জ্ঞান করিবে।
অখণ্ডমণ্ডলী হইবে এমন স্থান, যেখানে সপ্তাহে একটা দিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে তপ্ত প্রাণকে শীতল করিবার জন্য সকলে প্রাণের আবেগে ছুটিয়া আসিবে,অধিক ডাকাডাকি খুঁজাখুঁজির প্রয়োজন হইবে না।
অখণ্ড-মণ্ডলীকে দলাদলির উর্দ্ধে রাখিতে হইবে এবং আত্মকলহের পঙ্কে ইহাকে কদাচ ডুবিতে দেওয়া হইবে না।
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব
[অখণ্ড সংহিতা,
ঊনবিংশ খণ্ড হতে সংকলিত ]
ত্রিপুরা জেলান্তর্গত শ্যামগ্রাম-নিবাসী অপর এক পত্র-লেখকের পত্রোত্তর শ্রীশ্রী বাবামণি লিখিলেন,-
"অখণ্ডমণ্ডলীকে জানিবে শান্তির স্নিগ্ধ নীড়,অশান্ত হৃদয় শান্ত করিবার আশ্রয়, সংসার-পীড়নে ব্যথাতুর ও রিপুকুলের তাড়নায় উৎকন্ঠিত মনের সান্ত্বনাদায়ী তীর্থ।
অখণ্ডমণ্ডলী এমন একটা প্রতিষ্ঠান, যেখানে কোনও গণ্ডগোল হওয়া উচিত নহে।
অখণ্ড-সংহিতা পাঠ হইবে,সকলে নিঃশব্দে এবং ভক্তি-সহকারে শুনিবে। উপাসনা-কীর্ত্তনাদি চলিবে,সকলে নিজ নিজ কণ্ঠ-সংযোগ বিনীত চিত্তে করিবে, ঔদ্ধত্য সহকারে নহে।
প্রসাদের বিতরণ-কালে ভদ্র ও নম্র ভাবে চলিবে, হৈ-হল্লা করিবে না।মণ্ডলীর টাকাকড়ি নিয়া কেহ মিথ্যাচার,অসত্য উক্তি, প্রতারণা,প্রবঞ্চনা আদি করিবে না।
ভক্তিযুক্ত মনে নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যেকে মণ্ডলীতে আসিবে এবার শান্ত স্নিগ্ধ অনুদ্বিগ্ন মনে প্রতিজনে তৃপ্ত হৃদয়ে গৃহে ফিরিবে।
মণ্ডলীর মধ্যে বসিয়া কলহ আর মাতৃ-অঙ্গে নিষ্ঠীবন নিক্ষেপ করা সমান অপরাধ বলিয়া জ্ঞান করিবে।
অখণ্ডমণ্ডলী হইবে এমন স্থান, যেখানে সপ্তাহে একটা দিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে তপ্ত প্রাণকে শীতল করিবার জন্য সকলে প্রাণের আবেগে ছুটিয়া আসিবে,অধিক ডাকাডাকি খুঁজাখুঁজির প্রয়োজন হইবে না।
অখণ্ড-মণ্ডলীকে দলাদলির উর্দ্ধে রাখিতে হইবে এবং আত্মকলহের পঙ্কে ইহাকে কদাচ ডুবিতে দেওয়া হইবে না।
শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব
[অখণ্ড সংহিতা,
ঊনবিংশ খণ্ড হতে সংকলিত ]

Hori OM Hori OM Hori OM Hori OM 🙏🏻🙏🏻🙏🏻
ReplyDeleteজয়গুরু
Delete